বর নিজে কে আর কন্ট্রোল করতে না পেরে সজোরে সশব্দে আঘাত করলেন

বিয়ের ফটোসেশনের সময় বরের ক্যামেরাম্যানকে সশব্দে আঘাত করার ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোড়ন ফেলেছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে যে, ফটোগ্রাফার নববধূর ফটো সেশন এর ফটো তুলতেই বিভোর, বিভিন্ন পোজে ফটো তুলেই যাচ্ছে ক্যামেরাম্যান ।




      অনেকক্ষণ ধরে সেইসব দৃশ্য লক্ষ্য করে বর নিজে কে আর কন্ট্রোল করতে না পেরে সজোরে সশব্দে আঘাত করে ক্যামেরাম্যানকে ।যদিও সোশ্যাল মিডিয়া অনেকেই কমেন্টস করেছেন যে, এটি একটি প্রাঙ্ক ভিডিও ।




       প্রাঙ্ক ভিডিও বলতে আমরা বুঝি, যেটা আগে থেকে পরিকল্পিত ,সেরকমই একটি ভিডিও। কিন্তু এই সমস্ত পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন যিনি তিনি হচ্ছে নববধূ ,ঘটনাটি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারতো ,যদি না শেষে নববধূর উদ্দাম হাসিটি দেখতে পেতাম।




        দেখা যায় যে হাসিতে লুকিয়ে পড়েছে নববধূ, স্বামীর তার স্ত্রীর প্রতি পজিসিভনেস থাকে এটাই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনটা এরকম ই।





       কিন্তু তার জন্য বিয়ের মতো একটি আসরে যেখানে আশেপাশে আরও সবাই লোকজন আছে তার মাঝখানে হঠাৎ এরকম কাউকে আঘাত করা মত শোভনীয় নয়, তাই ঘটনাটি আরো জটিল হতে পারত যদি না নববধূ এরকম রিয়াকশন টা দিত শেষ পর্যন্ত।





         কমেন্টে যারা কমেন্ট করেছেন অনেকেই প্রাঙ্ক ভিডিও হতে পারে যে বলে দাবি করেছেন, সেটি না হওয়ার কিছু নেই কারণ আমরা সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন সময়ে প্রাঙ্ক ভিডিও দেখেই থাকি।





       এমন ভাবে ঘটানো হয় যেন মনে হয় সত্যিই জিনিসটা হয়েছে, আচমকাই কিন্তু সব প্ল্যান করাই থাকে। এগুলো মূলত মানুষকে হাসাবার জন্যই হয়ে থাকে।





         মানুষ এগুলোতে হেসে লুটোপুটি খায় এবং কিছুটা মুক্ত হয় সারাদিনের অফিসের ক্লান্তি থেকে। মানুষ এই ধরনের ভিডিও দেখে কিছুটা রিল্যাক্স হতে পারে মূলত এই ভিডিও দেখে।





         সব থেকে দেখার মত ছিল ক্যামেরাম্যান বেচারার রিয়্যাক্সন, থতমত খেয়ে যায় সে ,নিজেই বুঝে উঠতে পারেনা কী করবে।যাইহোক যদি এটা খুবই একটা অভিনব উদ্যোগ।





       খুব দারুণ একটা মজার বিষয় নিয়ে করা হয়েছে, যা মানুষকে অবশ্যই আনন্দ দেবে আশা করা যায় । তাই মানুষ নিজের অবসর সময়টুকু শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়াতেই মজে আছেন।







          তাই অনেক সময় অনেকে ব্যঙ্গ করে বলেন, সবাই শুধু মোবাইলে মুখ গুঁজে থাকে, মোবাইলে হচ্ছে কাল ।কিন্তু মোবাইল থেকে অনেক কিছু শিক্ষণীয় বিষয় ও শেখা যায়।






         সব জিনিসের একটি ভালো একটি খারাপ দিক থাকে, সেটা নিজেকে স্থির করতে হবে যে, কোনটা নিজে গ্রহণ করবে খারাপ না ভাল, প্রত্যেকটা মানুষেরই বোধশক্তি আছে বোধশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post