প্রিয় খেলোয়াড়কে নিয়ে এই হাসি-ঠাট্টা!! এই কারণে সেই দলে থাকা এক ছাত্রকে ঘুষি মেরেছিলেন সৌরভ!!

 


মরা, হ্যা এই নামেই অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিছু বছর আগে অবধি যা মানুষ ভাবতেই পারতো না সেই সব চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। হ্যা, কথা বলছি সৌরভ দাসের।

বাংলা ওয়েব সিরিজের একটি পরিচিত মুখ হলো অভিনেতা সৌরভ। এককথায় সৌরভ বর্তমান প্রজন্মের কাছে একজন আইকন। ইতিমধ্যেই বহু পুরস্কারে পুরস্কৃত হয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তিনি এসেছেন দিদি নাম্বার ওয়ান থেকে শুরু করে দাদাগিরিতে। সম্প্রতি দাদাগিরি অনুষ্ঠানে এসে তিনি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে বললেন নিজের ছোটবেলার কথা। জানালেন, নিজের জীবনের কিছু অজানা কথা।

 তখন সৌরভ দাস সাউথ পয়েন্ট স্কুলে পড়াশোনা করতেন। বাড়ি থেকে স্কুলে যেতেন বাসে করে।অন্য  দিনের মতো তিনি একদিন স্কুল বাসে করে যাচ্ছিলেন স্কুলের দিকে। যেতে যেতে তিনি দেখেন, বাসের পেছনে বসে থাকা কিছু ছেলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরর একটি বিজ্ঞাপন নিয়ে হাসিঠাট্টা করছে। তোমার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন ছিলেন।

স্বাভাবিকভাবেই সেই ছেলেগুলি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ভক্ত ছিল না, তাই এই কাজগুলি করে বেশ মজা পাচ্ছিলো তারা। কিন্তু সৌরভ দাস যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অন্ধ ভক্ত, সেটা হয়তো বন্ধুরা একেবারেই জানত না। না হলে হয়তো বন্ধুর সামনে এভাবে ঠাট্টা ইয়ার্কি করার সাহস পেত না তারা।

সেদিন এরকম একটি ঘটনা সৌরভ একেবারে মন থেকে মেনে নিতে পারেনি, নিজের প্রিয় খেলোয়াড়কে দেখে হাসি ঠাট্টা করুক অন্য কেউ।

রাগ সামলাতে না পেরে হঠাৎ করে এক ছাত্রকে ঘুসি মেরে দিয়েছিলেন তিনি। হই হট্টগোল দেখে স্কুলের শিক্ষকের তাদের আটকাতে আসেন। সেই সময়ে এতটাই রেগে ছিলেন সৌরভ, হাতাহাতি করতে গিয়ে স্কুলশিক্ষককেও ধাক্কা মেরে দিয়েছিলেন তিনি।ঘটনার পর সৌরভের বাবাকে ডেকে পাঠানো হয় এবং সমস্ত কাণ্ডকারখানা জানানো হয় তাকে।

ছেলেরা এই সমস্ত কাণ্ডকারখানা শুনে সৌরভের বাবা তাকে নির্দেশ দেন,তিনি যেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে চিরদিনের জন্য ভুলে যান। যদিও এই দিনের পর থেকে তাদের প্রতি আরো বেশি ভালোবাসা বেড়ে গিয়েছিল সৌরভের, মনের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মনের কথা বলতে পেরে বেজায় খুশি সৌরভ দাস, তা কিভাবে খুশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও।

Post a Comment

Previous Post Next Post