মানুষজন আমার প্রতি নানান বদনাম দেন

"একান্তে দেখা করার জন্য কুকুরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছি", এমনি মন্তব্যের শিকার হতে হয়েছে শ্রীলেখা  মিত্রকে। 

 রাস্তার যে সমস্ত  অনাথ সারমেয়শিশু রয়েছে তাদের যাতে কেউ আশ্রয় দেয় সেই সমস্ত মানুষের খোঁজে ব্যস্ত রয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন সেই সমস্ত মানুষদের উদ্দেশ্যে যারা, অনাথ সারমেয় শিশুদের আশ্রয়দাতা হতে পারবে। তিনি পোস্ট করেন, "হাতজোড় করে নিবেদন করছি কিন্তু এর বিনিময় কোন  কফি ডেটের প্রোগ্রাম নেই"।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সম্প্রতি ভেনিস থেকে ঘুরে এসেছেন। বিদেশের হাওয়া গায়ে লাগলেও দেশের সেই পুরনো কথা তার মাথা থেকে সরে যায়নি।

 আর পুরনো ক্ষত এখনো পর্যন্ত তাকে দিনের পর দিন কষ্ট দিচ্ছে। শশাঙ্ক, যে এক সারমেয় শিশুর দায়িত্ব নিয়েছিল কিন্তু সেই দায়িত্ব সে পালন করতে পারেনি,  মৃত্যু হয়েছে সেই অনাথ সারমেয়শিশুটির,  এবং যার কথাই আজও তাড়া করে বেড়াচ্ছে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে। আনন্দবাজার অনলাইনে অভিনেত্রী স্বীকার করে বলেন, "একজন শিশুকে আমি ইতিমধ্যেই হারিয়ে ফেলেছি, ভালো মানুষের পিছনের মুখোশটাকে চিনতে পেরেছি। আমাকে সহ্য করতে হয়েছে, শুধুমাত্র একান্তে দেখা করবার জন্য নাকি কুকুরদের ব্যবহার করেছি হাতিয়ারের মত। পিছনের কোন কথাই আমি এখনো ভুলিনি"। তিনি আরো বলেন,"ইউরোপে গিয়ে আমি দুজন পুরুষের সঙ্গে একান্তে দেখা করেছি, তার জন্য আমাকে কোন কুকুর কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হয়নি। আমি তখন শুধুমাত্র ঐ পথ শিশুদের ভালোর জন্য কিছু ভেবেছিলাম কিন্তু, তার বদলেও আমাকে পেতে হয়েছে বদনাম"।

তার হৃদয়ের ক্ষত হিসাবে তিনি এই কারণটিই সহ একাধিক কারণ তুলে ধরলেন, তিনি জানালেন তিনি তার দেশে সেই সম্মান পান না যেটা তিনি বাইরের বিদেশে গিয়ে পেয়েছেন, অভিনেত্রী জানান যে, "১৪ দিন ধরে তিনি ইউরোপ থেকে সুইজারল্যান্ড ঘুরেছেন। গোটা ২১ বছর পর আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তের "ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন কলকাতা" ছবির জন্য তিনি চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক পেয়েছিলাম। চিত্র উৎসবে এডুয়ার্ডো স্কাপেটারের মতো একাধিক তারকাদের সঙ্গে ছবি ছিল আমার। অনুপামা চোপড়ার মতো ব্যক্তি ও আমার প্রশংসা করেছেন কিন্তু নিজের দেশের মানুষজন আমার প্রতি নানান বদনাম দেন, সবই আমার মনে থাকবে"।

Post a Comment

Previous Post Next Post