প্রথম পরীক্ষাগুলি মহাকাশ স্টেশনের ভেতরেই করা হবে

স্পেসএক্স গত রবিবারই পাড়ি জমিয়েছে মহাকাশ স্পেস স্টেশনের জন্য। এই স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা হলেন এলান মাক্স, যিনি প্রয়াত বিজ্ঞান কথা সাহিত্যিক আইয়ান ব্যাংকস ও তার সংস্কৃতি সিরিজ গুলির নাম অনুসারে নামকরণ করেন এটির। এই ঐতিহ্য মেনে তিনি বরাবরই নামকরণ করে আসছেন, এবারেও তার অন্যথা করেননি।

 তিনি এই স্পেসএক্স স্পেস স্টেশনে পিঁপড়ে, এভোক্যাডো, আইসক্রিম ও একটি মানুষের আকারের রোবটকেও পৌঁছে দেবে। ইতিমধ্যেই সোমবার সে তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যায়, তবে এর সাথে পাঠানো ফ্যালকন রকেট যেটি পুনর্ব্যবহৃত হয়েছে। এর আগে নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে পূর্ব আকাশে তা বিস্ফোরিত হয়েছিল। এই ড্রাগন ক্যাপসুল উত্তোলনের পর প্রথম পর্যায়ে স্পেসএক্স নতুন মহাসাগরীয় প্লাটফর্মে অবতরণ করে, যার নাম দেয়া হয় গ্রাভিটাসের অভাব। 

এই ড্রাগন ৪৮০০ পাউন্ড অর্থাৎ ২১৭০ কিলোগ্রাম এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সামগ্রী, এছাড়াও সাতজন নভোচারীর জন্য স্পেস স্টেশনে অ্যাভোকাডো, লেবু এমনকি আইসক্রিম সহ তাজা খাবারও বহন করে নিয়ে গেছে। পরীক্ষার বিষয় হিসেবে পিঁপড়া ,ব্রাইন চিংড়ি এবং গাছপালা পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে একটি জাপানিজ স্টার্ট আপ কোম্পানির পরীক্ষামূলক এই রোবটিক বাহু যা কক্ষপথ অভিষেকের সময় আইটেমগুলি কে একসাথে স্ক্রু করবার চেষ্টা করবে এবং অন্যান্য যাবতীয় মহাজাগতিক কাজগুলি করবে যা সাধারণত মহাকাশচারীরা করে থাকেন।


 প্রথম পরীক্ষাগুলি মহাকাশ স্টেশনের ভেতরেই করা হবে। তবে এই স্পেসএক্সের পাড়িতে বিলম্ব হওয়ার পেছনে কারণ ছিল কোভিদ নাইনটিন এর মত অতি মহামারী বিষয়টি। যার ফলে স্পেসএক্সকে আরো কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয়েছিল এবং তার পরে দ্বিতীয় উৎক্ষেপণের প্রচেষ্টা করা হয়। যদিও তা শনিবারেও আবহাওয়া খারাপ থাকাযর কারণে ব্যর্থ হয় । তবে নাসা ২০১১ সালে স্পেস শাটল কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর স্পেসএক্স এবং অন্যান্য ইউএস কোম্পানিকে স্পেস স্টেশনে কার্গো ও স্ক্রু সরবরাহ করার জন্য আবেদন করেন। তবে শেষ পর্যন্ত সে প্রচেষ্টা সফল হয়, এবার দেখার বিষয় এটিই যে, আগামী দিনে আমরা এই মহাজাগতিক বিষয়ে নতুন কি তথ্য পেতে চলেছি।

Post a Comment

Previous Post Next Post