একেই বলে "রাখে হরি মারে কে", আর "ধর্মের কল বাতাসে নড়ে"


ভীস্মর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ₹৮০ কোটি, কুমারের অ্যাকাউন্টে ₹ ৯০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে, লাইভ হিন্দুস্থান নিউজ চ্যানেল জানিয়েছে। ভীস্ম, কুমারের অ্যাকাউন্ট উত্তর বিহার গ্রামীন ব্যাঙ্কে রয়েছে। 

বিহারের পস্তিয়া গ্রামের এই দুই যুবক এটা জানতে পেরে আশ্চর্য হয়ে গেছেন যে তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৯০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে, লাইভ হিন্দুস্থান বুধবার জানিয়েছে। কীভাবে এত বিপুল অঙ্কের টাকা  একাউন্টে জানতে ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। এরই মধ্যে উত্তর বিহার গ্রামীন ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।

কাটিহার জেলার বগৌড়া পঞ্চায়েতের পস্তিয়া গ্রামের বাসিন্দা গুরুচন্দ্র বিশ্বাস এবং অসিত কুমার, তাদের স্কুল ইউনিফর্মের জন্য রাজ্য সরকার কর্তৃক জমা করা অর্থের খোঁজ -খবর নিতে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (এসবিআই) স্থানীয় সেন্ট্রালাইজড প্রসেসিং সেন্টারে (সিপিসি) গিয়েছিলেন। যখন তারা জানতে পেরেছিল যে তাদের অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা হয়েছে, তারা হতভম্ব হয়ে গেছিলেন লাইভ হিন্দুস্থান রিপোর্টে বলা হয়েছে। একেই বলে "রাখে হরি মারে কে"

লাইভ হিন্দুস্থান আরও জানিয়েছে ভীস্মর অ্যাকাউন্টে ₹৮০ কোটি, কুমারের অ্যাকাউন্টে ₹৯০০ কোটি টাকা জমা হয়েছে। 

ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মনোজ গুপ্ত বিষয়টি জানতে  পেরে অবাক হয়ে যান এবং টাকা তোলা বন্ধ করে দেন। লাইভ হিন্দুস্থান আরও জানিয়েছে যে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ব্যাংকের ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

গত বছর, বিহারের বখতিয়ার গ্রামের ৩০ বছর বয়সী গৃহশিক্ষক রঞ্জিত দাস এই বছরের শুরুর দিকে ব্যাঙ্কের ত্রুটির কারণে তার অ্যাকাউন্টে  ৫.৫ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। রঞ্জিত দাস প্রথমে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করলেও, তাকে বেশ কিছু নোটিশ দেওয়ার পর তিনি টাকা ফেরত দেন।

“যখন আমি আমার মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পেয়েছিলাম তখন আমি খুব খুশি হয়েছিলাম। আমার মত দরিদ্র মানুষের জন্য এটা বিপুল অঙ্কের টাকা । আমি ভেবেছিলাম বিহারের নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রত্যেক ব্যক্তির কাছে প্রতিশ্রুতি দেওয়া মত, মোট ১৫ লক্ষ টাকার প্রথম কিস্তি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই টাকা পাঠিয়েছিলেন,”রঞ্জিত দাস পুলিশকে বলেন।

পরে তিনি ব্যাঙ্কের কর্মকর্তাদের চাপে বেশিরভাগ অর্থ ফেরত দিয়েছিলেন কিন্তু তার কাছে ₹ ১.৬ লক্ষ রেখেছিলেন, যা তিনি ফেরত দিতে অস্বীকার করেছিলেন।

ব্যাঙ্ক ম্যানেজার গৃহশিক্ষকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন, যার পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। "ধর্মের কল বাতাসে নড়ে"

Post a Comment

Previous Post Next Post