কল্যানীতে হাঁসের খামার করা হবে

নতুন দিগন্ত পেতে চলেছে উলুবেড়িয়া, এমনই ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

সম্প্রতি তিনি হাওড়ায় এসে দুয়ারে পালক প্রকল্প ঘোষণা করে গেছেন যেখানে উলুবেড়িয়ার রুগ্ন হয়ে যাওয়া এই শাটল কক শিল্পের পুনরুজ্জীবনের কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। উলুবেড়িয়া বাণীবন, বীরপুর যদুবেরিয়া, রাজাপুর গ্রামের বেশ কয়েকশো মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। তবে বর্তমানে উন্নত মানের কাঁচামালের সরবরাহ না থাকায় এই শিল্প ধুঁকছে।

বাপ্পা অধিকারী নামে এক ব্যাক্তি এদিন জানান কাঁচামালের যোগান কম, তার উপর জিএসটির চাপ, সবমিলিয়ে আগে যে শাটলককের প্রতি পিসের দাম পড়ত ৬০ টাকা এখন তারই  দাম ৭০ টাকা, আর অন্যদিকে চীনসহ সহ অন্যান্য দেশ অত্যন্ত কম দামে প্লাস্টিকের শাটল কক বানিয়ে যোগান দিচ্ছে বাজারে, যে কারণে উলুবেড়িয়ার এই শিল্প ক্রমশই জীর্ণশীর্ণ হয়ে পড়ছে।

তাই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাওড়ায় এসে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প আধিকারিকদের নির্দেশ দেন যাতে তারা বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখেন, যাতে উলুবেড়িয়ার এই শাটল কক শিল্পটিকে আবার পুনরুজ্জীবিত করা যায়। মুখ্যমন্ত্রীর এই নির্দেশে তারা যথেষ্টই নড়েচড়ে বসেন এবং ইতিমধ্যেই তারা সেখানকার মানুষের সাথে বৈঠকেও বসেন।

তাতে ঠিক হয় যে কল্যাণীতে এই বিশেষ প্রজাতির হাঁসের খামার করা হবে, কারণ বাংলাদেশ থেকে এই হাঁসেরই পালক আমদানি করে আনতে গেলেও দাম অনেক বেড়ে যাবে। যে কারণে কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে এই বিশেষ প্রজাতির হাঁসের খামার তৈরীর পরিদর্শনে যাবেন তাঁরা।

 আশা করা যায় অচিরেই এই সমস্যার সমাধান হবে এবং উলুবেড়িয়ার শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post