" বেশ করেছি প্রেম করেছি, আপনাদের কি " - বললো তারা

একি কাণ্ড!!! ভর্তি ট্রেনে গৃহবধূর এহেন আচরণে আশ্চর্য পুলিশও!  সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমে খবরটি ছড়িয়ে পড়েছে হুহু করে। 

 বালির নিশ্চিন্দার বাসিন্দা কর্মকার পরিবারের দুই গৃহবধূর কীর্তিকলাপের ছবি, যা দেখে সবাই ছিছি কার করে চলেছে, বড় ছেলে পলাশের স্ত্রী অনন্যা ও ছোট ছেলে প্রভাতের স্ত্রী রিয়া, তাঁরা দুজনে মিলে ১৫ই ডিসেম্বর শীতের পোশাক কেনাকাটা করবে বলে বাড়ি থেকে বের হন, কিন্তু আদতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই বাড়ি ছাড়েন। শ্বশুরবাড়ির লোকেরা কএউ টেরই পাননি বিষয়টি।

 তবে এরপর শ্বশুর বাড়ির লোক থানায় অভিযোগ দায়ের করে, পুলিশ এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে এবং তাদের আসানসোল স্টেশনে মুম্বাই মেল থেকে আটক করে, তবে শুধুমাত্র অনন্যা ও রিয়া ছিলেন না তাদের সাথে ছিল তার দুই প্রেমিক শেখর ও শুভ্রজিৎও। তবে ওই ট্রেনের কামরায় খাকি পোশাকের লোক দেখে চারজনেই প্রথমে স্তম্ভিত হয়ে যান এবং পুলিশ তাদের প্রাথমিক ভাবে আটক করতেই, অনন্যা গর্জে ওঠেন এবং পুলিশকে বলেন,  তিনি শেখর কে ভালোবাসেন তারা কেন এ বিষয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন?

 তারপর আসানসোল জিআরপি মাধ্যমে তাদের পাঠানো হয় নিশ্চিন্দা থানার পুলিশের হেফাজতে এবং তাদের বুধবারই আনা হয় বালিত। তবে কর্মকার পরিবারের এক প্রতিবেশীর সূত্রে পুলিশ জানতে পারেন, রিয়ার স্বামী প্রভাত কর্মসূত্রে থাকেন দুবাইতে, মাস পাঁচেক আগেই তিনি ফিরেছেন বাড়িতে, কিন্তু স্ত্রীর সাথে দূরত্বের কারণে এই পরকীয়ার টানাপোড়েন। অনন্যা ও রিয়া নতুন করে সংসার শুরু করবেন বলে শেখর ও শুভ্রজিৎ এর সাথে ঘর ছেড়েছেন। তাই তাড়া পাড়ি দেন ভিন রাজ্য মুম্বাইয়ে, কিন্তু টাকা পয়সার টানে তারা আবার ফের রাজ্যে ফিরতে বাধ্য হযয়।

 তবে শেখর শুভজিৎ রিয়ার সাত বছরের ছেলে আয়ুষকে  খুবই ভালোবাসে কিন্তু অপরদিকে কর্মকার পরিবার তাদের নাতিকে অপহরণ মামলা দায়ের করে থানায়। যে কারণে আয়ুষ কে ফিরিয়ে দেয়া হয় তার পরিবারের কাছে, কিন্তু দুই বৌমাকে তারা এখনো পর্যন্ত মেনে নেননি। আগামী দিনে তারা এটি ভেবে দেখবার সময় চেয়েছেন, আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় আট থেকে আশি সমস্ত ব্যক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত তাই এহেন খবরের মাধ্যমে আগামী সমাজের কি প্রতিচ্ছবি হতে চলেছে তা যথেষ্ট ভাবনার বিষয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post